তিন সাংবাদিক ও পাচঁ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

মুখোমুখি প্রতিদিন ডেস্ক: তিন সাংবাদিক ও পাচঁ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করেন সজীব নামের এক ব্যবসায়ী মৌলভীবাজার জেলা দায়রা জজ আদালতে। মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) আলমগীর হোসেন ও দুই ওসি সহ ৫ পুলিশ সদস্য এবং ৩ সাংবাদিকে বিরুদ্ধে নির্যাতন এবং পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারন) আইন ২০১৩  এর ১৩ ধারায় মামলা হয়েছে, মামলা নং ১/২০১৭। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে জেলার এস পি কে থানায় মালা এন্ট্রি করতে নির্দেশ দেন।

আসামীগণ- ১। মোঃ আলমগীর হোসেন,  পিতাঃ জয়নাল সাং-পূর্ব ধনিয়া, থানা ও জেলা- ভোলা, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার  কুলাউড়া সার্কেল, জেলাঃ মৌলভীবাজার। বর্তমানে সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মিরপুর জোন, ডিএমপি, ঢাকা।

২। মোঃ আব্দুছ ছালেক বিপি নং ৭৫০০৯৫৮৮৩,  পিতাঃ অজ্ঞাত, সাবেক অফিসার ইনচার্জ, মৌলভীবাজার মডেল থানা, জেলা- মৌলভীবাজার।  বর্তমানে ইন্সপেক্টর, সি আই ডি সদর দপ্তর, মালিবাগ, ঢাকা ।

৩। মোঃ নাজিমউদ্দিন বিপি নং- ৮১০৮১২৩৫২৩, পিতাঃ অজ্ঞাত সাবেক সাব ইন্সপেক্টর মৌলভীবাজার মডেল থানা/জেলা- মৌলভীবাজার। বর্তমানে সাব ইন্সপেক্টর কোতোয়ালী থানা, জেলা যশোর।

৪। মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ, কং/১৮৩, সাব ইন্সপেক্টর,  পিতা- অজ্ঞাত, মৌলভীবাজার মডেল থানা, জেলা- মৌলভীবাজার। ৫। মোঃ আব্দুল হাশিম বিপি নং- ৮২০৬১১৬২৭৪, পিতা-অজ্ঞাত সাবেক সাব ইন্সপেক্টর, মৌলভীবাজার মডেল থানা, জেলা মৌলভীবাজার। বর্তমানে ইন্সপেক্টর, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, মালিবাগ, ঢাকা।

৬। এস, এম, উমেদ আলী, পিতা- মৃত মবশ্বির আলী,  সম্পাদক পাতাকুড়ির দেশ।  সাং- ধড়কাপন, থানা ও জেলা- মৌলভীবাজার।

৭। আজিজুল হক বাবুল পিতা- আব্দুল মছব্বির, সাং-নাদামপুর, থানা ও জেলা- মৌলভীবাজার।

৮। আব্দুল মালেক মনি, পিতা- অজ্ঞাত। সম্পাদক রুপালীদেশ। ঠিকানা-  ৫৫/এ, পুরানা পল্টন, এইচ  এম সিদ্দিক ম্যানশন (৩য় তলা) থানা- পল্টন, জেলা- ঢাকা।

মামলার আরজি থেকে জানা যায়, সহকারী পুলিশ কমিশনার আলমগীর হসেন  ও তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ডাঃ রাজিয়া সুলতানা মৌলভীবাজার জেলায় চাকুরীতে থাকাকালিন সময় ব্যবসায়ী সজীবের সাথে বন্ধুত্ত পুর্ণ সম্পর্ক তৈরী করে ২৮ লক্ষ টাকা তার থেকে ধার নেন, ব্যবসায়ী সজীব তার সেই পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে বর্তমান মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশিনার- সাবেক এ এস পি কুলাউড়া সার্কেল মৌলভীবাজার, সজীব কে তার বনশ্রীর বাসা থেকে কোনো মামলা বা ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় নিয়ে ৪৫ মিনিটের ব্যবধানে ৩ টি মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটান।

উক্ত ব্যবসায়ী জামিনে বের হয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাস্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের আই জি পি,ও ডি আই জি সিকিউরিটি সেলে অভিযুগ দিলে পুলিশ সদর দপ্তর বিষয়টি তদন্ত করে এ এস পি আলমগীর হসেন কে দোষী করে স্বরাষ্ট্র্র মন্ত্রনালয়ে প্রতিবেদন পাঠায়, কিন্তু  কোনো বিভাগীয় মামলা না হওয়ায় ব্যবসায়ী সজীব হাই কোর্টে রিট করেন, তার রিটের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রলায় বিভাগীয় মামলা দায়ের করেন। সেই বিভাগীয় মামলায় ব্যবসায়ী সজীব সাক্ষীদেন যে, তার মৌলভীবাজার বিসিক শিল্প নগরীর ফেক্টরী হতে ফেরার পথে আসামীগন রাস্থায় তার গাড়ী আটক করে থানায় নিয়ে অমানসিক ভাবে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে সেই নির্যাতনের ভিডিও চিত্র ধারন করেন, সেই চিত্রের সাথে আরো বিভিন্ন মেয়ে মানুষের অশ্লীল ছবি যুক্ত করে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে মিডিয়ায় প্রচার করে। এ ঘটনায় ওই ব্যবসায়ী সাইবার আইনে আলাদা মালা করেছেন।

উল্লেখ্য এ এস পি আলমগীরকে ২০১৪ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রলায় চাকুরী থেকে বরখাস্থ করলেও বহাল তবিয়তে থেকে বিভিন্ন ভাবে ব্যবসায়ী সজীবকে নির্যাতন করে যাচ্ছেন। এছাড়াও ওই এ এস পির বিরুদ্ধে রয়েছে অনেক অভিযোগ, থানার ভিতর স্বামীকে আটকিয়ে রেখে স্ত্রীকে অন্য রুমে ধর্ষন করেছেন এমন অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে, স্বামী ইমন তার স্ত্রীকে ধর্ষনের ঘটনার প্রতিবাদ করলে তার দুইটি চুখ কলম দিয়ে খুচিয়ে অন্ধ করে সেই চোখে চুন সুপার গ্লু দিয়ে চিরতরে অন্ধ করে ফেলে এ এস পি আলমগীর । এ ছাড়া তিনি মৌলভীবাজার জেলার  কুলাউড়া থানার কামাল,কুতুব, সহ আরও অনেক লোকের চোখ অন্ধ করেন। ঝিনাইদহ জেলার, কালিগঞ্জ উপজেলার, দামুদ্দার পুর গ্রামের মুক্তি যোদ্ধার সন্তান ইমন এখন ওসহায়, বিচার পাওয়ার জন্য সরকারের সংলিশট দপ্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কিন্তু কে শুনে কার কথা।

Share Button

Comments

comments

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*